University Laboratory School and College

Institute of Education and Research (IER), University of Dhaka, Dhaka-1000

সর্বশেষ নোটিশ :

About us

ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের সকলকে জানাচ্ছি আন্তরিক শুভেচ্ছা।

আমাদের স্কুল অ্যান্ড কলেজ: এক অনন্য প্রতিষ্ঠান

ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৪ সালে। বেশ কিছুদিন ধরেই ছেলে-মেয়েদের স্কুলের প্রয়োজনীয়তা বোধ করছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষক-কর্মকর্তারা। সে তাগিদে তাঁদেরই প্রচেষ্টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবের ছাদে মার্চ ১৯৬৪-তে প্রায় ১৫ (পনের) জন ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে প্রস্তুতিমূলকভাবে শুরু হয় কে.জি. ও প্রথম শ্রেণির ক্লাস। ইতোমধ্যে তদানীন্তন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডো স্টেট ইউনিভার্সিটির শিক্ষক প্রশিক্ষণ প্রসারণে এক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এ চুক্তির প্রেক্ষিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠিত শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আই.ই.আর.) শিক্ষক প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের আওতায় এ স্কুল এপ্রিল ১৯৬৫-তে কে.জি. থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে উন্নীত হয়ে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় হিসেবে পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরু করে। তখন স্কুলটি চলে আসে আই.ই.আর, ভবনে নিচতলায় কোণার দিকে একটি কক্ষে। এবছরই চালু করা হয় 'Home Room' পদ্ধতি। আধুনিক পাঠ্যক্রম, পাঠদান পদ্ধতি, দৈনিক কার্যক্রম ইত্যাদি সবকিছু মিলিয়ে বলা যায়, এদেশে এ স্কুলেই প্রথম কিন্ডারগার্টেন পদ্ধতির শিক্ষাব্যবস্থা চালু হয়। পাশাপাশি, উন্নত শিক্ষা উপকরণ ব্যবহার, স্কুলের ইউনিফর্ম, পাঠ্যপুস্তক সম্পৃক্ত তথ্যচিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী, শিক্ষার্থীদের চরিত্র গঠন ও বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো বিবেচনা করে ফলাফলপত্রে যথাযথ মান নির্ণয় ইত্যাদি ব্যবস্থা ছিল অপেক্ষাকৃত অগ্রসর পরিকল্পনার প্রয়াস। বিশেষজ্ঞ মিসেস গানিং (Mrs. Gunning), ড. জ্যাকোফ্রন (Dr. Jackofron), ড. অটিস কোফি (Dr. Ottis Coffey)-এ তিন জন আত্মপ্রত্যয়ী ও নিবেদিত-প্রাণ ব্যক্তির পেশাগত দক্ষতা ও আন্তরিক সহযোগিতায় আমেরিকান পরামর্শক ও তত্ত্বাবধায়ক ড. এডগার ই. ফিল্ডার (Dr. Fielder) এ স্কুল পরিচালনা শুরু করেন। প্রথম অধ্যক্ষ হিসেবে তিনি ০১ মার্চ ১৯৬৪ থেকে ৩১ মার্চ ১৯৬৫ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। একই সময়ে ড. ক্লিম (Dr. Klime) ছিলেন উপদেষ্টা।

১৯৬৫ সালে কে.জি. পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত প্রতি শ্রেণিতে প্রায় ৩০ (ত্রিশ) জন ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করা হয়। পঞ্চম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত ছাত্র-ছাত্রীরা বছরান্তে বার্ষিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে একটি করে শ্রেণি উন্নীত হয় এবং এভাবে ১৯৭১ সালে মানবিক শাখায় ০৩ (তিন) জন ও বিজ্ঞান শাখায় ২০ (বিশ) জন, মোট ২৩ (তেইশ) জন শিক্ষার্থী এ স্কুল থেকে প্রথমবারের মতো মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এস.এস.সি.) পরীক্ষায় অবতীর্ণ হয় (মুক্তিযুদ্ধের কারণে যা ১৯৭২ সালে অনুষ্ঠিত হয়) এবং সম্মিলিত মেধাতালিকায় স্থান করে নেয়। ১৯৬৫ সালে সহশিক্ষা চালু হলেও ১৯৬৮ সালের শুরুতে সিদ্ধান্ত হয় যে, পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত সহশিক্ষা থাকবে ও ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে শুধু ছেলেরা অধ্যয়ন করবে। সে অনুযায়ী ১৯৭১ ১৯৭৪ পর্যন্ত চার বছরে অনুষ্ঠিত এস.এস.সি. পরীক্ষায় এ স্কুল থেকে শুধু ছেলেরা অংশ নেয়। কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের কারণে ১৯৭৫ সালের এস.এস.সি. পরীক্ষায় ছেলে-মেয়েরা নিয়মিত ছাত্র-ছাত্রী হিসেবে অংশ নেয় এবং অদ্যাবধি এখানে সহশিক্ষা চালু রয়েছে।

১৯৬৯ সালে আই.ই.আর.-এর সাথে যুক্তরাষ্ট্রের প্রকল্প চুক্তি সমাপ্ত হয়। একই বছরে শুরু হয় বর্তমান ত্রি-তল স্কুল ভবনের কাজ। ১৯৭২-'৭৩ সালের দিকে স্কুল বর্তমান ভবনে স্থানান্তরিত হয়।

জুলাই ১৯৭৫-এ স্কুলের পরিধি কলেজ পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়, শুধুমাত্র বিজ্ঞান শাখায়। নামকরণ হয় ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ। এভাবে ১৯৭৭ সালে ২১ (একুশ) জন শিক্ষার্থী এ কলেজ থেকে প্রথমবারের মতো উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচ.এস.সি.) পরীক্ষায় অবতীর্ণ হয়। ১৯৯৮ সালে কলা ও বাণিজ্য শাখা চালু হয়েছে।

২০১১ সাল থেকে এখানে আলাদাভাবে ইংরেজি ভার্সনেও শিক্ষাদান শুরু হয়। বর্তমানে কে.জি. থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ইংরেজি ভার্সনে শিক্ষা দেয়া হচ্ছে।

 

ইউলেসা: যেখান থেকে শুরু

এস.এস.সি. পরীক্ষায় উত্তীর্ণের পরই নিয়মিত শিক্ষার্থীরা হয়ে যায় প্রাক্তন। এস.এস.সি. উত্তীর্ণ হয়ে কিছু শিক্ষার্থী এ কলেজে ভর্তি হয়, আবার কিছু শিক্ষার্থী ভর্তি হয় অন্য কলেজে। যারা এ কলেজে ভর্তি হয় তারা সংযুক্ত থেকে যায় এ প্রিয় প্রাঙ্গণে, দুবছর পর তারাও হয়ে যায় প্রাক্তন। কিন্তু শৈশব-কৈশোরের সে টুল-বেঞ্চ আর ব্ল‍্যাক-বোর্ডের দিনগুলি সবার স্মৃতিতেই হয়ে থাকে উজ্জ্বল। বাড়ি যদি হয় মানুষের ফার্স্ট হোম, স্কুল তার জন্যে সেকেন্ড হোম। এ বাড়িতে যে বেড়ে উঠেছে, কে.জি. থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত এগারোটি বছর অথবা কলেজ পর্যন্ত আরও দুবছর - সে স্মৃতি মানুষ ভুলে কেমন করে? যে ভবনে সে পড়েছে, বেঞ্চের পাশে-সামনে-পেছনে সে বসেছে, যার সঙ্গে ভাগ করে খেয়েছে বাড়ি থেকে আনা টিফিন-ফ্লাস্কের পানি অথবা যে শিক্ষক হাতে ধরিয়ে বর্ণমালা শিখিয়েছেন তাঁকে কি ভুলে যেতে পারে কেউ? প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সময়ে ভেবেছে, কীভাবে এ আনন্দঘন দিনগুলি ধরে রাখা যায়, এক সঙ্গে না থেকেও একত্রে থাকা যায়।

প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের নিয়ে সম্মিলিতভাবে একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠার প্রথম স্বার্থক উদ্যোগ নেয়া হয় ১৯৮৪ সনে। এর আগেও বেশ কয়েক দফা চেষ্টা করা হয়েছিল। ১৯৮৪ সনের শুরুর দিকে কয়েকজন প্রাক্তন শিক্ষার্থী এ ধরনের একটা কিছু করার জন্যে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেয়। প্রায় সকলেই এরকম একটা উদ্যোগের অপেক্ষায় ছিল। বিজ্ঞাপনের আহ্বানে সাড়া দিয়ে ১৪ জানুয়ারি প্রায় সকল ব্যাচের শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে স্কুলে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠনের মাধ্যমে স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের একটি পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান আয়োজন ও তাদেরকে নিয়ে একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। আহ্বায়ক কমিটি গঠনের জন্যে পরবর্তীতে আরও ০৩ (তিন) টি সভা অনুষ্ঠিত হয়। শেষ সভায় রবিউল আফতাব বুলবুল (ব্যাচ-১৯৮১)-কে আহ্বায়ক করে একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। এ পুনর্মিলনী আয়োজন করার পূর্বে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠনটি দাঁড় করানোর প্রয়াস নেয়া হয়। সংগঠনের নাম 'ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি এক্স-স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (ইউলেসা)' প্রস্তাব করা হয় ও সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। সংগঠনের নাম প্রস্তাব করেন মোঃ জোবায়ের আলী শোয়েব (ব্যাচ-১৯৭৯) ও সংগঠনের প্রতীক অঙ্কন করেন মোঃ কায়সার টিটু (ব্যাচ-১৯৮১)। সার্থকভাবে পুনর্মিলনী সম্পন্ন করা ছাড়াও পুরোদমে চলতে থাকে ইউলেসা-কে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ। বস্তুত এ কাজের পুরোভাগে ছিল ১৯৮৪ সনের আহ্বায়ক কমিটি। তৎকালীন অধ্যক্ষ রাজিয়া মতিন চৌধুরীর বিশেষ সহযোগিতায় ১৭ মার্চ ১৯৮৪ প্রথম পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়। শুরু হয় ইউলেসা'র আনুষ্ঠানিক যাত্রা। এর প্রধান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো এ স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভাবমূর্তি সর্বত্র উন্নত করা এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে একতা-সৌহার্দ-ভ্রাতৃত্ব ও পারস্পরিক সহযোগিতার সেতুবন্ধ তৈরি করা।

ইউলেসা'র উদ্যোগে পরবর্তীতে ১৪-১৫ এপ্রিল ১৯৮৮ দুদিনব্যাপী দ্বিতীয় পুনর্মিলনী ও একই বছরে ভয়াবহতম বন্যায় ত্রাণ-সহায়তার জন্যে কনসার্ট, ১৪-১৫-১৬ জানুয়ারি ১৯৯৪ স্কুল অ্যান্ড কলেজকে সাথে নিয়ে তিনদিনব্যাপী তৃতীয় পুনর্মিলনী ও রজতজয়ন্তী উৎসব, ২৫-২৬-২৭ডিসেম্বর ১৯৯৭ তিনদিনব্যাপী চতুর্থ পুনর্মিলনী, মে ২০০২ জাতীয় সংসদের মাননীয় সদস্য মোহাম্মদ সহিদুজ্জামান (ব্যাচ-১৯৭৪) ও মাহি বদরুদ্দোজা চৌধুরীর (মাহি বি. চৌধুরী) (ব্যাচ-১৯৮৭) সংবর্ধনা অনুষ্ঠান, ২৮ ফেব্রুয়ারি-০১ মার্চ ২০০৩ দুদিনব্যাপী পঞ্চম পুনর্মিলনী, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১১ ষষ্ঠ পুনর্মিলনী এবং ২৫-২৬ ডিসেম্বর ২০১৪ স্কুল অ্যান্ড কলেজকে সাথে নিয়ে দুদিনব্যাপী পুনর্মিলনী ও সুবর্ণজয়ন্তী উৎসব আয়োজন করা হয়। প্রায় প্রতিটি পুনর্মিলনীতেই স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি, মিনাবাজার, প্রীতিভোজ, ইউলেসা'র সদস্য ও অতিথি শিল্পী সমন্বয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ইত্যাদিরও আয়োজন করা হয়। এছাড়া মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদ স্কুলের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ সাদেক স্মরণে শ্রদ্ধা নিবেদনপূর্বক কর্মসূচি এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবসসমূহ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হয়। ইউলেসা উত্থাপিত দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শহিদ মোহাম্মদ সাদেক স্মরণে স্কুল অ্যান্ড কলেজের মিলনায়তনের নাম 'শহিদ মোহাম্মদ সাদেক মিলনায়তন' এবং ১২ ডিসেম্বর ১৯৮৬ ঢাকার অদূরে ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানে স্কুলের বার্ষিক বনভোজনে গিয়ে লেকের পানিতে ডুবে মর্মান্তিকভাবে মারা যাওয়া দশম শ্রেণির ছাত্র জিয়াউর রহমান (ব্যাচ-১৯৮৭) স্মরণে গ্রন্থাগারের নাম 'জিয়া গ্রন্থাগার' নামকরণ করে।

১৩ আগস্ট ২০১১ মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব আশফাক মুনীর মিশুকের (মিশুক মুনীর) (ব্যাচ-১৯৭৫) মৃত্যুতে ১৪ আগস্ট কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে তাঁর মরদেহে সর্বস্তরের জনগণ ও বিভিন্ন সংগঠনের সাথে ইউলেসাও শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করে এবং ১৯ আগস্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজে শহিদ মোহাম্মদ সাদেক মিলনায়তনে শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়। ইউলেসা'র তৎকালীন সভাপতি খন্দকার মাহমুদ হাসানের (ব্যাচ-১৯৭৩) সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ফজল মোহম্মদ খানের (ব্যাচ-১৯৮৪) পরিচালনায় এতে আলোচনা করেন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) সেলিনা বানু, প্রাক্তন শিক্ষক শিল্পী আবু তাহের, ইউলেসা'র সহ-সভাপতি নাসের ইকবাল যাদু (ব্যাচ-১৯৭৩), মরহুমের সহপাঠী বন্ধু প্রাক্তন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তামিম (ম. তামিম), জিয়াউদ্দিন আহমেদ, কাজী সাইফুদ্দীন আহমেদ (ব্যাচ-১৯৭৫), সাগর লোহানী (ব্যাচ-১৯৭৮), মরহুমের সহোদর আসিফ মুনীর তন্ময় (ব্যাচ-১৯৮৩), দুর্ঘটনা কবলিত গাড়িতে থাকা বেঁচে যাওয়া লেখক-গবেষক মোঃ রফিকুল ইসলাম (মনিস রফিক) প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন শিক্ষক সাদেকুন নাহার, জাহানারা ইসলাম, মরহুমের পুত্র সুহৃদ মুনীরসহ প্রাক্তন-বর্তমান শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। পাশাপাশি ১২ সেপ্টেম্বর সড়ক নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক মৃত্যুর নিশ্চয়তার দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। এতে স্কুলের প্রাক্তন-বর্তমান শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ ঢা.বি. উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, আই.ই.আর.-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. আবুল এহসান, স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) সেলিনা বানু প্রমুখ অংশগ্রহণ করেন।

১৪ অক্টোবর ২০১১ শহিদ মোহাম্মদ সাদেক মিলনায়তনে ইউলেসা'র সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ইউলেসা'র সভাপতি খন্দকার মাহমুদ হাসান ও পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক ফজল মোহম্মদ খান। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইউলেসা'র সহ-সভাপতি নাসের ইকবাল যাদু, কোষাধ্যক্ষ এস. এ. মাহমুদ হাসান হাসিন (ব্যাচ-১৯৭৩) প্রমুখ। সাধারণ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নাইম আহমেদ খান (ব্যাচ-১৯৭২)-কে আহ্বায়ক, ১৪ (চৌদ্দ) জন সদস্য ও পদাধিকার বলে আরও ০৪ (চার) জন সদস্যসহ মোট ১৯ (উনিশ) সদস্যবিশিষ্ট একটি এডহক কমিটি গঠিত হয়।

০৩ ডিসেম্বর ২০১১ প্রাক্তন শিক্ষকদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। 'আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে বিরাজ সত্যসুন্দর' শীর্ষক এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ঢা.বি. উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক উপস্থিত প্রায় অর্ধ-শতাধিক প্রাক্তন শিক্ষকের হাতে সম্মাননা-স্মারক তুলে দেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) সেলিনা বানু। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউলেসা'র তৎকালীন এডহক কমিটির সদস্য এস. এ. মাহমুদ হাসান হাসিন (ব্যাচ-১৯৭৩) ও পরিচালনা করেন সদস্য মোঃ আনিসুর রহমান সরকার লিটু (ব্যাচ-১৯৮৯)। শোক-প্রস্তাব পাঠ করেন রাশেদুল মাহমুদ রাসেল (ব্যাচ-১৯৯২)।

ইতোমধ্যে ইউলেসা কার্যকরী পরিষদের সম্মানিত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন যথাক্রমে রবিউল আফতাব বুলবুল (ব্যাচ-১৯৮১), শহিদুল হক খোন্দকার টুকু ও খন্দকার মাহমুদ হাসান (ব্যাচ-১৯৭৩), নাইম আহমেদ খান (ব্যাচ-১৯৭২) এবং সম্মানিত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন যথাক্রমে ডা. আরিফ আহমেদ (ব্যাচ-১৯৮০), আফফান হাবীব ও ফজল মোহম্মদ খান (ব্যাচ-১৯৮৪), মোঃ আনিসুর রহমান সরকার লিটু (ব্যাচ-১৯৮৯)।

 

বর্তমান কার্যকরী পরিষদের কার্যক্রম

২২ ডিসেম্বর ২০১২ সর্বসম্মতিক্রমে ইউলেসা'র ২১ (একুশ) সদস্যবিশিষ্ট বর্তমান পূর্ণাঙ্গ কার্যকরী পরিষদ চূড়ান্ত হয় এবং ২৭ ডিসেম্বর ২০১২ নবগঠিত কার্যকরী পরিষদ আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব গ্রহণ করে।

২৮ জানুয়ারি ২০১৩ স্কুল প্রাঙ্গণে প্রাতঃসমাবেশে দাঁড়িয়ে এস.এস.সি. (অনুষ্ঠিতব্য) পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীসহ অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের কলম ছুঁয়ে নকল-সন্ত্রাস-দুর্নীতি-সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। শপথবাক্য পাঠ করান বিশিষ্ট চিন্তাবিদ ঢা.বি. ইংরেজি বিভাগের এমিরিটাস অধ্যাপক ড. এ. এফ. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী। আলোচনা করেন বিশিষ্ট অভিনেত্রী ও জাতীয় সংসদের মাননীয় সদস্য সারাহ বেগম কবরী, কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন প্রমুখ। ইউলেসা'র সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনিসুর রহমান সরকার লিটুর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইউলেসা'র সহ-সভাপতি নাসের ইকবাল যাদু ও সমাপনী বক্তব্য রাখেন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) সেলিনা বানু। ব্যতিক্রমী এ অনুষ্ঠানকে উপজীব্য করে ০৩ ফেব্রুয়ারি চ্যানেল ২৪-এ সরাসরি টক-শো 'মধ্যরাতে মুক্তবাক'-এর একটি বিশেষ পর্ব সম্প্রচার করা হয়, যেখানে অন্যতম আলোচক হিসেবে অংশগ্রহণ করেন জাতীয় সংসদের মাননীয় সদস্য সারাহ বেগম কবরী, প্রাক্তন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এম. হাফিজউদ্দিন খান, ইউলেসা'র প্রতিনিধি হিসেবে সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোঃ আনিসুর রহমান সরকার লিটু প্রমুখ।

২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও শহিদ দিবস উপলক্ষে প্রভাতফেরি সহকারে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে ইউলেসা'র পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়।

নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় শানিত ও প্রাণিত করার লক্ষ্যে ২৫ মার্চ ২০১৩ স্কুল প্রাঙ্গণে 'মুক্তিযুদ্ধের কথা শোনো' শীর্ষক রণাঙ্গনের স্মৃতিচারণ ও জাগরণী সঙ্গীতানুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। যুদ্ধজয়ের স্মৃতিচারণ করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অবঃ) আমীন আহম্মদ চৌধুরী বীর বিক্রম, শিরীন বানু মিতিল, স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) সেলিনা বানু প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউলেসা'র সভাপতি নাইম আহমেদ খান ও পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনিসুর রহমান সরকার লিটু। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইউলেসা'র সাংস্কৃতিক সম্পাদক সাগর লোহানী। উপস্থিত বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধারা দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার মহান দায়িত্ব নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের উপর অর্পন করেন এ প্রতীকী অর্থে স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির দুজন শিক্ষার্থীর হাতে তুলে দেন লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত প্রিয় জাতীয় পতাকা। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সঙ্গীত পরিবেশন করেন বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী শব্দসৈনিক রথীন্দ্রনাথ রায়।

১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ শহিদ মোহাম্মদ সাদেক মিলনায়তনে 'বাংলায় দেখি স্বপ্ন, বাংলায় বাঁধি সুর' শীর্ষক ভাষাসংগ্রামীদের সংবর্ধনা, স্মৃতিচারণ ও আলোকচিত্র প্রদর্শনী আয়োজন করা হয়। ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিচারণ করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, লেখক-গবেষক আহমদ রফিক, উচ্চ আদালতে প্রথম বাংলায় রায় প্রদানকারী বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আপিল বিভাগের (অবঃ) বিচারপতি কাজী এবাদুল হক, শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আই.ই.আর.) প্রাক্তন পরিচালক অধ্যাপক ড. শরিফা খাতুন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সভাপত্বিত করেন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ হাবিবুর রহমান ও পরিচালনা করেন ইউলেসা'র সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনিসুর রহমান সরকার লিটু। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইউলেসা'র সহ-সভাপতি নাসের ইকবাল যাদু ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সাংস্কৃতিক সম্পাদক সাগর লোহানী।

১৪ এপ্রিল ২০১৪ (০১ বৈশাখ ১৪২১) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের সাথে ইউলেসা কার্যকরী পরিষদের কর্মকর্তারা উপাচার্য ভবনে নববর্ষের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এতে উপস্থিত ছিলেন ইউলেসা'র সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনিসুর রহমান সরকার লিটু, নাসের ইকবাল যাদু, মোঃ হাফিজুল হক রুবেল, তাসাদ্দুক আহমেদ খান রবিন প্রমুখ।

 

স্কুল অ্যান্ড কলেজের সুবর্ণজয়ন্তী: 'এক সূত্রে বাঁধিয়াছি সহস্রটি মন'

২০১৪ সনে আমাদের প্রিয় ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৫০ বছরপূর্তি হয় (১৯৬৪-২০১৪)। একে ঘিরে স্কুল অ্যান্ড কলেজকে সাথে নিয়ে বছরব্যাপী উদ্যাপিত হয় বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানমালা। ২৩ মে ২০১৪ স্কুল প্রাঙ্গণে ইউলেসা'র উদ্যোগে স্কুল অ্যান্ড কলেজের সুবর্ণজয়ন্তী উৎসবের সূচনাপর্বের শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক ও বিশেষ অতিথি হিসেবে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চিত্রশিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। স্কুল অ্যান্ড কলেজের উপাধ্যক্ষ সেলিনা বানুর সভাপতিত্বে এবং ইউলেসা'র সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোঃ আনিসুর রহমান সরকার লিটুর পরিচালনায় উদ্বোধনী সভায় আলোচনা করেন আই.ই.আর.-এর পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ জালাল উদ্দীন রুমি। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন ইউলেসা'র সহ-সভাপতি নাসের ইকবাল যাদু এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন প্রাক্তন সভাপতি খন্দকার মাহমুদ হাসান। অতিথিরা সুবর্ণজয়ন্তী স্মারক হিসেবে স্কুল চত্বরে একটি সপ্তপর্ণা/ছাতিম গাছের (Wisdom Tree) চারা রোপণ, শান্তির প্রতীক পঞ্চাশটি পায়রা অবমুক্ত ও পঞ্চাশটি বেলুন উড্ডয়ন এবং ইউলেসা'র ওয়েব-সাইট (www.ulesa.org) ও 'এক সূত্রে বাঁধিয়াছি সহস্রটি মন' প্রতিপাদ্যে উৎসব-লোগো উন্মোচন করেন। উন্মোচনের পর উৎসব-লোগোর ক্যানভাসটি জ্যেষ্ঠতম ১৯৭১ ব্যাচের আফরোজা বানু বেলি ও সৈয়দ তাসনীন হোসাইন তানু যৌথভাবে প্রজন্মের সেতুবন্ধ হিসেবে কনিষ্ঠতম ২০১৪ ব্যাচের দুজন শিক্ষার্থীর হাতে তুলে দেন। শেষ পর্বে ছিল তথ্যচিত্র প্রদর্শনী, সঙ্গীত-অনুষ্ঠান ও আলোকসজ্জা। দিনব্যাপী এ আয়োজনে প্রাক্তন শিক্ষক গৌরী প্রসন্ন চক্রবর্তী, কেশব চন্দ্র রায়, সাজেদা খাতুনসহ নবীন-প্রবীণ শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

০৫ জুন ২০১৪ বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে স্কুল অ্যান্ড কলেজের উদ্যোগে স্কুল চত্বরে বিভিন্ন জাতের ফল ও ফুলের চারা রোপণ করা হয়। ইউলেসা এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে। এতে উপস্থিত ছিলেন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ হাবিবুর রহমান, উপাধ্যক্ষ সেলিনা বানু ও ফিরোজা আখতার এবং ইউলেসা'র কর্মকর্তাবৃন্দ।

এরই মাঝে স্কুল অ্যান্ড কলেজকে সাথে নিয়ে সুবর্ণজয়ন্তী উৎসব-পূর্ব প্রস্তুতি ও প্রচারণামূলক বিভিন্ন প্রতিযোগিতা সম্পন্ন হয়। নভেম্বর ২০১৪ স্কুলের বাস্কেটবল গ্রাউন্ডে শুরু হয় বর্তমান শিক্ষার্থীদের নিয়ে আন্তঃশ্রেণি মিনি ফুটবল প্রতিযোগিতা। এতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ হাবিবুর রহমান, বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন খেলোয়াড় সামিউর রহমান সামি (ব্যাচ-১৯৭৩) প্রমুখ। ১৭ নভেম্বর ২০১৪ শহিদ মোহাম্মদ সাদেক মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় স্কুল অ্যান্ড কলেজের বর্তমান শিক্ষার্থীদের নিয়ে শিশু-কিশোর চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা। এতে সম্মানিত বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সহকারী অধ্যাপক (অঙ্কন-শিক্ষক) নাজমা আক্তার। ১৮ নভেম্বর ২০১৪ শহিদ মোহাম্মদ সাদেক মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় স্কুল অ্যান্ড কলেজের বর্তমান শিক্ষার্থীদের নিয়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা। এতে ছড়া ও কবিতা আবৃত্তি শাখায় সম্মানিত বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিশিষ্ট আবৃত্তি শিল্পী রফিকুল ইসলাম, প্রাক্তন বিতার্কিক ডা. রাজিয়া রহমান জলি (ব্যাচ-১৯৮৯) ও সহকারী অধ্যাপক হাসনা বানু। নৃত্য শাখায় সম্মানিত বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিশিষ্ট নৃত্যশিল্পী আতিকুর রহমান উজ্জ্বল। সঙ্গীত শাখায় সম্মানিত বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সহকারী অধ্যাপক রওনক জাবীন শীলা (ব্যাচ-১৯৮৯) ও হাসনা বানু এবং প্রভাষক (সঙ্গীত-শিক্ষক) নাঈমা ইসলাম নাজ। ০৫ ডিসেম্বর ২০১৪ স্কুলের বাস্কেটবল গ্রাউন্ডে শুরু হয় প্রাক্তন শিক্ষার্থী-দের নিয়ে আন্তঃব্যাচ মিনি ফুটবল প্রতিযোগিতা। এতে অন্যান্যের মধ্যে বিশেষভাবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের অধিনায়ক মোঃ জাকারিয়া পিন্টু।

বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ২৫-২৬ ডিসেম্বর ২০১৪ ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের দুদিনব্যাপী সুবর্ণজয়ন্তী উৎসব পালিত হয়। ২৫ ডিসেম্বর ২০১৪ সকাল ৯.৩০ মি. স্কুল প্রাঙ্গণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক পঞ্চাশটি বেলুন ও ফানুস উড়িয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে উৎসবের শুভ উদ্বোধন করেন। ইউলেসা কর্তৃক আয়োজিত এ উৎসবের উদ্বোধনী আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ইউলেসা'র সভাপতি নাইম আহমেদ খান ও পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনিসুর রহমান সরকার লিটু। অনুষ্ঠান শুরু হয় দাঁড়িয়ে সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন এবং স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রয়াত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালনের মধ্য দিয়ে। এতে আলোচনা করেন প্রধান অতিথি অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ হাবিবুর রহমান, প্রাক্তন শিক্ষক মুহাম্মদ আব্দুল হাকিম মোল্লা, গৌরী প্রসন্ন চক্রবর্তী, শিল্পী আবু তাহের, সাদেকুন নাহার, অধ্যাপক শ্যামলী আকবর, ড. নূর-ই-পারভীন খানম প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন আয়োজন উপ-পরিষদের আহ্বায়ক নাসের ইকবাল যাদু ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সদস্য-সচিব মোঃ আহসানুজ্জামান ঠাকুর স্বপন। সহস্রাধিক প্রাক্তন-বর্তমান শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও পরিবারের সদস্যদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন স্কুল অ্যান্ড কলেজের উপাধ্যক্ষ সেলিনা বানু ও ফিরোজা আখতার।

উৎসবের প্রথম দিন ২৫ ডিসেম্বর ২০১৪ বিকাল ৪.৩০ মি. ঢা.বি. বাংলা বিভাগের এমিরিটাস অধ্যাপক ও বাংলা একাডেমির সভাপতি (পরবর্তীতে জাতীয় অধ্যাপক) ড. আনিসুজ্জামান সুবর্ণজয়ন্তী স্মারক বক্তব্য প্রদান করেন। এদিন ডা. রাজিয়া রহমান জলির প্রাঞ্জল উপস্থাপনায় মনোজ্ঞ স্মৃতিচারণ পর্ব ছাড়াও অন্যান্য আয়োজনের মধ্যে ছিল মধ্যাহ্নভোজ, তথ্যচিত্র প্রদর্শনী, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোকসজ্জা ও মনোহর আতশবাজি।

উৎসবের দ্বিতীয় দিন ২৬ ডিসেম্বর ২০১৪ বিকাল ৪টায় রাজধানীর কলাবাগান মাঠে আয়োজিত সঙ্গীতানুষ্ঠানে দলগতভাবে অংশগ্রহণ করে 'শিরোনামহীন', 'চিরকুট', 'আবর্তন', 'অনুরণন' ও 'পাঠশালা' ব্যান্ড। সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ইউলেসা কর্তৃক বর্ধিত কলেবরে প্রকাশ করা হয় আলোকের এই ঝরনাধারায় নামে একটি সুদৃশ্য স্মরণিকা।

 

সুবর্ণজয়ন্তী উৎসব পরবর্তী কার্যক্রম

২৮ এপ্রিল ২০১৬ কিশোর-তরুণদের মধ্যে দুর্নীতি বিরোধী অঙ্গীকার জাগ্রত করা ও তথ্য অধিকার আইন সম্পর্কে অবহিত করার উদ্দেশে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর সদস্যদের উদ্যোগে এক দুর্নীতি বিরোধী প্রচারাভিযান পরিচালিত হয়। টিআইবি ও ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের যৌথ আয়োজনে সকাল ১১টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসে এ প্রচারাভিযান চলে। এ আয়োজনের অনানুষ্ঠানিক সহযোগী ছিল ইউলেসা। শহিদ মোহাম্মদ সাদেক মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যথাক্রমে স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ হাবিবুর রহমান ও উপাধ্যক্ষ সেলিনা বানু। এতে সভাপতিত্ব করেন টিআইবির ট্রাস্টি বোর্ডের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট তানবীর-উল-ইসলাম সিদ্দিকী ও পরিচালনা করেন টিআইবির জীবন-সদস্য ও ইউলেসা'র সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোঃ আনিসুর রহমান সরকার লিটু। তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করার মাধ্যমে কীভাবে দুর্নীতি প্রতিরোধ করা সম্ভব তার বিস্তারিত দিক তুলে ধরেন বক্তারা। এরপর 'তথ্যই শক্তি' বিষয়ে মুক্ত আলোচনা পর্ব সঞ্চালনা করেন এবং তথ্য অধিকার আইনের প্রায়োগিক দিকসমূহ তুলে ধরেন টিআইবির জ্যেষ্ঠ কর্মসূচি ব্যবস্থাপক মোঃ জাহিদুল ইসলাম। পাশাপাশি স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে পরিচালিত হয় দুর্নীতি বিরোধী গেম-শো ও কার্টুন প্রদর্শনী। অধ্যক্ষ মোঃ হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে শিক্ষার্থীদের দুর্নীতি বিরোধী শপথ গ্রহণের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ হয়।

১৮ মে ২০১৭ স্কুল প্রাঙ্গণে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের অর্থায়নে ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের নতুন একাডেমিক ভবনের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ কাজের শুভ উদ্বোধন হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ভবনের ফলক উন্মোচন করেন। এ উপলক্ষে শহিদ মোহাম্মদ সাদেক মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আই.ই.আর.) পরিচালক অধ্যাপক হোসনে আরা বেগম ও ইউলেসা'র সভাপতি নাইম আহমেদ খান। সভাপতিত্ব করেন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ হাবিবুর রহমান। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন স্কুল অ্যান্ড কলেজের উপাধ্যক্ষ সেলিনা বানু ও সেলিনা আক্তার, ইউলেসা'র সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনিসুর রহমান সরকার লিটু ও প্রাক্তন-বর্তমান শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোঃ সাইফুল ইসলাম আকন। উল্লেখ্য, এ নতুন একাডেমিক ভবনের ০২ (দুই) দফা উর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ কাজের অনুমোদন ও বাস্তবায়ন এবং ভবনের জন্য প্রয়োজনীয় নতুন আসবাবপত্র বরাদ্দ ও সরবরাহ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ইউলেসা'র বর্তমান সভাপতিসহ কার্যকরী পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ ও ভূমিকা ছিল, এরই আন্তরিক স্বীকৃতি হিসেবে স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সংশ্লিষ্ট নাম-ফলকে 'সহযোগিতায়: ইউলেসা' কথাটি সংযুক্ত করা হয়েছে।

০৭ ডিসেম্বর ২০১৭ স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ ও ইউলেসা যৌথভাবে প্রাক্তন শিক্ষকদের নিয়ে স্কুল প্রাঙ্গণে প্রীতি-সম্মিলনী আয়োজন করে। এতে আরও অংশগ্রহণ করেন কর্মরত প্রায় সকল সম্মানিত শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের মধ্যে ছিল মধ্যাহ্নভোজ এবং স্কুল অ্যান্ড কলেজের বাংলা ও ইংরেজি ভার্সনের সঙ্গীত-শিক্ষক যথাক্রমে নাঈমা ইসলাম নাজ ও জয়ন্ত আচার্যের পরিবেশনায় 'হারানো দিনের গান'। এতে শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন ইউলেসা কার্যকরী পরিষদের যুগ্ম-সম্পাদক মোঃ আহসানুজ্জামান ঠাকুর স্বপন। ইউলেসা'র পক্ষ থেকে উপস্থিত প্রাক্তন শিক্ষকদের বই উপহার দেয়া হয়। প্রাক্তন শিক্ষকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাশিদা জামান, মুহাম্মদ আব্দুল হাকিম মোল্লা, মোঃ হাবিবুর রহমান, ইসমাত জাহান, মোঃ আবুল মনসুর মিয়া, শরিফুন নেসা ইসলাম, সিসিলিয়া নীলিমা রাণী গুডা, মনোয়ারা হক, রোকেয়া মিনাক্ষী হোসেন, সাজেদা খাতুন, ওমর হায়াত মনু, ফিরোজা আখতার, জি. এম. মহিউদ্দিন প্রমুখ। আরও উপস্থিত ছিলেন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) সেলিনা বানু, উপাধ্যক্ষ সেলিনা আক্তার, ইউলেসা'র সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনিসুর রহমান সরকার লিটু প্রমুখ।

০৩ জুলাই ২০১৮ শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আই.ই.আর.) প্রাক্তন পরিচালক ভাষাসংগ্রামী অধ্যাপক ড. হালিমা খাতুন ইহলোক ত্যাগ করেন। ০৪ জুলাই তাঁর মরদেহ সর্বস্তরের জনগণ ও বিভিন্ন সংগঠনের শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের জন্য কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে আনা হয়। ইউলেসা'র পক্ষ থেকেও শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) সেলিনা বানু, প্রাক্তন শিক্ষক ওমর হায়াত মনু, ইউলেসা'র সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনিসুর রহমান সরকার লিটু, নাসের ইকবাল যাদু, নাজিয়া জাবীন (ব্যাচ-১৯৮০) প্রমুখ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বার্তা এবং স্কুল অ্যান্ড কলেজ বার্ষিকী উন্মেষসহ জাতীয় গণমাধ্যমসমূহে এসব কার্যক্রমের সচিত্র সংবাদ ও প্রতিবেদন গুরুত্ব সহকারে প্রকাশিত ও প্রচারিত হয়।

ইউলেসা'র মাধ্যমে স্কুল অ্যান্ড কলেজের 'জিয়া গ্রন্থাগারে' ব্যক্তিগতভাবে যাঁরা পুস্তক প্রদান করেছেন প্রাক্তন অধ্যক্ষ সুস্মিতা ইসলাম (সুস্মিতা আনোয়ার), প্রাক্তন সহকারী অধ্যাপক আফরোজা বেগম, নাজমুল আহসান শেখ (ব্যাচ-১৯৭৭), সাগর লোহানী, খন্দকার নিয়াজ রহমান (ব্যাচ-১৯৭৮), আসিফ মুনীর তন্ময় (ব্যাচ-১৯৮৩), খন্দকার সাবরিনা আমীন দিশা (ব্যাচ-১৯৯৬), মোঃ শাহাদাত হোসেন রুমন (ব্যাচ-২০০৪) প্রমুখ। তাঁদেরকে জানাচ্ছি সাধুবাদ।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইউলেসা কার্যকরী পরিষদের পক্ষ থেকে আমরা স্কুল অ্যান্ড কলেজের অসুস্থ প্রাক্তন শিক্ষকদের অনেককেই তাঁদের বাসভবনে বা হাসপাতালে আরোগ্য কামনায় দেখতে যাই। যে সকল প্রাক্তন শিক্ষক মৃত্যুবরণ করেছেন যথাসময়ে মৃত্যু সংবাদ পাওয়া সাপেক্ষে ইউলেসা'র সদস্যরা তাঁদের জানাযা ও সমাহিত করায় অংশগ্রহণ এবং তাঁদের স্মরণে অনুষ্ঠিত দোয়া, মিলাদ মাহফিল ও অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করেন। পরবর্তীতে ইউলেসা কার্যকরী পরিষদের পক্ষ থেকে প্রয়াত প্রায় সকল শিক্ষকের বাসায় গিয়ে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করা এবং সংগঠনের শোক-বার্তা পৌঁছে দেয়া হয়।

এমনিভাবে মানবিক ও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে ইউলেসা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রম, সাংস্কৃতিক কর্মসূচি, শিক্ষার পরিবেশ ও মান উন্নয়ন ইত্যাদি ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে। ইতোমধ্যে ইউলেসা-কে একটি টেকসই প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তির উপর দাঁড় করানোর লক্ষ্যে নিয়মিত ও অগ্রাধিকারভিত্তিতে সংগঠনের কাজ চালু রয়েছে।

পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তা সকলের মঙ্গল করুন ।

 

    ফিরে দেখা


ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি এক্স-স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (ইউলেসা)

কার্যকরী পরিষদের সম্মানিত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন যথাক্রমে

রবিউল আফতাব বুলবুল (ব্যাচ-১৯৮১)

শহিদুল হক খোন্দকার টুকু ও খন্দকার মাহমুদ হাসান (ব্যাচ-১৯৭৩)

নাইম আহমেদ খান (ব্যাচ-১৯৭২)

কার্যকরী পরিষদের সম্মানিত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন যথাক্রমে

আরিফ আহমেদ (ব্যাচ-১৯৮০)

আফফান হাবীব ও ফজল মোহম্মদ খান (ব্যাচ-১৯৮৪)

মোঃ আনিসুর রহমান সরকার লিটু (ব্যাচ-১৯৮৯)

 

১৭ মার্চ ১৯৮৪

পুনর্মিলনী ৮৪ কমিটি (অস্থায়ী কার্যকরী পরিষদ)

আহ্বায়ক: রবিউল আফতাব বুলবুল (ব্যাচ-১৯৮১)

যুগ্ম-আহ্বায়ক: আবু তাহির মোঃ হোসেন (ব্যাচ-১৯৭১), মোঃ শাহাবুদ্দীন (ব্যাচ-১৯৭২), মাহমুদ হাসান (ব্যাচ-১৯৭৩), ফয়জুল আলম (ব্যাচ-১৯৭৪), শামিমা নাসরিন মান্নান (ব্যাচ-১৯৭৫), মোঃ নাসের আলী চিশতী (ব্যাচ-১৯৭৬), নাজমুল আহসান শেখ (ব্যাচ-১৯৭৭), তাহসিন আসকার (ব্যাচ-১৯৭৮), সুমন শাহেদ (ব্যাচ-১৯৭৯), শায়ের গফুর, আরিফ আহমেদ, ওয়ালিউল ইসলাম (ব্যাচ-১৯৮০), মোঃ রিয়াজুল আহসান টুটুল (ব্যাচ-১৯৮১) ও আসিফ মুনীর তন্ময় (ব্যাচ-১৯৮৩) কোষাধ্যক্ষ: মাহমুদ হাসান ও শহীদুল হক খোন্দকার টুকু (ব্যাচ-১৯৭৩)

পুনর্মিলনী' ৮৪

সম্পাদনা: স্মরণিকা উপ-পরিষদ

প্রচ্ছদ: জামি

 

 

১৪-১৫ এপ্রিল ১৯৮৮

পুনর্মিলনী কমিটি'৮৮ (কেন্দ্রীয় কমিটি)

আহ্বায়ক: শহীদুল হাসান মান্নান রতন (ব্যাচ-১৯৮৪)

কোষাধ্যক্ষ: মাহমুদ হাসান (ব্যাচ-১৯৭৩)

সদস্য: আফ্ফান হাবীব, নাফিস মুস্তাফিজুর রহমান ফাহিম, ফজল মোহম্মদ খান, মাহবুব আলম, শফিকুল ইসলাম খান, খন্দকার তানভীর রহমান, সাব্বির আহমেদ তাহা ও জাহাঙ্গীর আলম নয়ন (ব্যাচ-১৯৮৪)

বাঁধন

সম্পাদনা: স্মরণিকা উপ-কমিটি

প্রচ্ছদ সৌজন্যে: CCATS

 

১৪-১৫-১৬ জানুয়ারি ১৯৯৪

পুনর্মিলনী ও রজতজয়ন্তী'৯৪ উদ্যাপন কমিটি (কেন্দ্রীয় পরিষদ)

আহ্বায়ক: খন্দকার মাহমুদ হাসান (ব্যাচ-১৯৭৩)

যুগ্ম-আহ্বায়ক: শিবলী সিরাজ (ব্যাচ-১৯৮৮)

সদস্য: মোহাম্মদ আশরাফুল হক নাসের (ব্যাচ-১৯৮৮) ও ইউসুফ আলী নোটন (ব্যাচ-১৯৯১)

এই প্রাঙ্গণে

সম্পাদনা: স্মরণিকা উপ-পরিষদ

প্রচ্ছদ সৌজন্যে: কামরুল আমিন পাপ্পু (ব্যাচ-১৯৮০)

 

২৫-২৬-২৭ ডিসেম্বর ১৯৯৭

পুনর্মিলনী ৯৭ উদ্যাপন কমিটি (কেন্দ্রীয় কমিটি)

আহ্বায়ক: খন্দকার মাহমুদ হাসান (ব্যাচ-১৯৭৩)

যুগ্ম-আহ্বায়ক: জাবেদ মঞ্জুরুল ইসলাম অশ্রু (ব্যাচ-১৯৮৪) ও এস. এম. সাইয়েদুল মোমেন কামাল (ব্যাচ-১৯৯২)

সদস্য: নাসের ইকবাল যাদু, এস. এ. মাহমুদ হাসান হাসিন (ব্যাচ-১৯৭৩), মজিবুর রহমান আজাদ (ব্যাচ-১৯৭৪), এ. এস. এম. জাহিদ মিঠু (ব্যাচ-১৯৭৬), ফজল মোহম্মদ খান (ব্যাচ-১৯৮৪), মাহি বদরুদ্দোজা চৌধুরী (মাহি বি. চৌধুরী) (ব্যাচ-১৯৮৭) ও সাবরিনা সুলতানা চৌধুরী পিংকি (ব্যাচ-১৯৯২)

সেই আমরা

সম্পাদনা: স্মরণিকা উপ-পরিষদ

সম্পাদনা পরিষদ: নাসের ইকবাল যাদু (ব্যাচ-১৯৭৩), সাইফুল জাহান আসিফ ও কাজী মুহাইমিন-

আস-সাকিব সৈকত (ব্যাচ-১৯৯২)

প্রচ্ছদ: সাইফুল জাহান আসিফ (ব্যাচ-১৯৯২)

আয়োজনে: ইউলেসা

 

মে ২০০২

সংবর্ধনা উদ্যাপন কমিটি

আহ্বায়ক: মোঃ আনিসুল কবির জাসির (ব্যাচ-১৯৮৫)

সদস্য-সচিব: মোঃ আহসানুজ্জামান ঠাকুর স্বপন (ব্যাচ-১৯৮৮)

সংবর্ধনা ২০০২

সম্পাদনা: ইউলেসা

প্রচ্ছদ: সাইফুল জাহান আসিফ (ব্যাচ-১৯৯২)

 

২৮ ফেব্রুয়ারি-০১ মার্চ ২০০৩

পুনর্মিলনী-২০০৩ উদ্যাপন কমিটি

চেয়ারম্যান: খন্দকার মাহমুদ হাসান (ব্যাচ-১৯৭৩)

আহ্বায়ক: ফজল মোহম্মদ খান (ব্যাচ-১৯৮৪)

পুনর্মিলনী-২০০৩

সম্পাদনা: পুনর্মিলনী-২০০৩ উদ্যাপন কমিটি

প্রচ্ছদ: সাইফুল জাহান আসিফ (ব্যাচ-১৯৯২)

 

২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১১

পুনর্মিলনী-২০১১ উদ্যাপন কমিটি

আহ্বায়ক: মাহি বদরুদ্দোজা চৌধুরী (মাহি বি. চৌধুরী) (ব্যাচ-১৯৮৭)

সদস্য-সচিব: ফজলে রাব্বি (ব্যাচ-১৯৯৮)

বন্ধন

সম্পাদনা: পুনর্মিলনী-২০১১ উদ্যাপন কমিটি

প্রচ্ছদ: ফজলে রাব্বি (ব্যাচ-১৯৯৮)

 

০৩ ডিসেম্বর ২০১১

শিক্ষক সম্মাননা-২০১১ আয়োজক কমিটি

আহ্বায়ক: নাসের ইকবাল যাদু (ব্যাচ-১৯৭৩)

যুগ্ম-আহ্বায়ক: মোঃ আতিক-উর-রহমান লিংকন, মুনতাসির রহমান মুন (ব্যাচ-১৯৯২) ও মোহাম্মদ আজমল হোসেন লালিম (ব্যাচ-১৯৯৫)

আমাদের প্রিয় মানুষেরা

সম্পাদনা: আয়োজক কমিটি, শিক্ষক সম্মাননা-২০১১

প্রচ্ছদ: জিয়াউল হক শিমুল

 

২৫-২৬ ডিসেম্বর ২০১৪

পুনর্মিলনী ও সুবর্ণজয়ন্তী উৎসব-২০১৪ আয়োজন উপ-পরিষদ

আহ্বায়ক: নাসের ইকবাল যাদু (ব্যাচ-১৯৭৩)

সদস্য-সচিব: মোঃ আহসানুজ্জামান ঠাকুর স্বপন (ব্যাচ-১৯৮৮)

আলোকের এই ঝর্ণাধারায়

সম্পাদনা: স্মরণিকা (সম্পাদনা ও গ্রন্থনা) বিভাগ সুবর্ণজয়ন্তী উৎসব-২০১৪ আয়োজন উপ-পরিষদ

স্মরণিকার নামলিপি: কাইয়ুম চৌধুরী

প্রচ্ছদ: এআরকে রীপন (মোঃ আতাউর রহমান খান) (ব্যাচ-১৯৯৫)

 

০৬ মার্চ ২০২০

পুনর্মিলনী-২০২০ আয়োজন উপ-পরিষদ

আহ্বায়ক: নাসের ইকবাল যাদু (ব্যাচ-১৯৭৩)

যুগ্ম-আহ্বায়ক: মোঃ সিরাজুম মুনীর শিবলী (ব্যাচ-১৯৮৬) ও রাজিয়া রহমান জলি (ব্যাচ-১৯৮৯)

সদস্য-সচিব: নাজমুল আহসান শেখ (ব্যাচ-১৯৭৭)

সকাল কাঁটা ধন্য করে

সম্পাদনা: মোঃ আনিসুর রহমান সরকার লিটু (ব্যাচ-১৯৮৯)

স্মরণিকার নামলিপি: কাইয়ুম চৌধুরী

প্রচ্ছদ: এআরকে রীপন (মোঃ আতাউর রহমান খান) (ব্যাচ-১৯৯৫)